ইবনে সিনা ৯৮০ খ্রিস্টাব্দে পারস্যে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ওষুধকে আধুনিক ও আকর্ষণীয় করার নিয়মের প্রবক্তা। তিনি তিতা ও বিস্বাদ ওষুধকে সুমিষ্ট, সুস্বাদু ও সুগন্ধময় করার উপায় হিসাবে সিরাপ আবিষ্কার করেন। বটিকাকে চিনির প্রলেপ দিয়ে 'সুগার কোটেড' করেন। হাতের বদলে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে বটিকা তৈরির জন্য কাঠের ছাঁচ তৈরি করেন, পরবর্তীতে যার অনুকরণে ট্যাবলেট মেশিন আবিষ্কৃত হয় । তিনি ইউনানি চিকিৎসা বিজ্ঞানকে এতটাই উন্নত করেন যে তাঁকে ইউনানি চিকিৎসা শাস্ত্রের প্রধান বিজ্ঞানী হিসাবে বিবেচনা করা হয়। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'কানুন' সপ্তদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে পাঠ্যবই হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এই বইটি থেকে প্রমাণিত হয় যে তিনি গ্রিক ও আরব বিজ্ঞানীবৃন্দ এবং ভারতের চরক ও শুশ্রুত দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এদের ভাল দিকগুলো গ্রহণ করেছিলেন। ইবনে সিনা অবিস্মরণীয় হয়ে আছেন ফার্মাকোলজীতে তাঁর অসামান্য অবদানের কারণে। তিনিই প্রথম সংক্রামক রোগ এবং যৌন রোগের ধারণা দেন। তিনি রোগের শ্রেণিবিন্যাস করেন এবং স্বাস্থ্যবিধি প্রণয়ন করেন। স্বাস্থ্যবিধির আওতায় রোগ সংক্রমণকালে রোগীকে পৃথকভাবে রাখা...
রোমের আরেকজন অত্যন্ত বিখ্যাত চিকিৎসক গ্যালেন ১৩০ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। অনেক ঐতিহাসিকের মতে তিনি ছিলেন প্রথম ফার্মাসিস্ট, কারণ তিনি চিকিৎসার পাশাপাশি ওষুধসামগ্রী প্রস্তুত ও বিক্রি করতেন। তিনি মলমকে উন্নত করেন, ইমালশান আবিস্কার করেন এবং পরবর্তীতে এখান থেকে সর্বপ্রথম কোল্ড ক্রীম তৈরি করেন। তাঁর লেখা, চিন্তাধারা ও চিকিৎসা পদ্ধতি প্রায় দুই হাজার বছর ধরে চিকিৎসা শাস্ত্রকে প্রভাবিত করছে। তিনি ছিলেন হিপোক্রেটিসের চিন্তাধারার সমর্থক। তিনি বিশেষ করে শারীরবিদ্যার বিভিন্ন অজানা দিক উন্মোচন করেন। সে সময় রোমে শব ব্যবচ্ছেদ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু গ্যালেন থেমে যাননি। তিনি বানর ও শুকরের দেহ ব্যবচ্ছেদ করেন এবং ধারণা করেন যে এদের সাথে মানবদেহের অনেক মিল রয়েছে। গ্যালেন স্নায়ুতন্ত্রের উপর বহু পরীক্ষা করে তত্ত্ব প্রদান করেন যে, 'মস্তিষ্ক সব মাংসপেশীর কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণ করে।
উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশগুলির স্বাস্থ্য বাজেটের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ (যেমন উন্নয়নশীল দেশের জন্য প্রায় ৫ শতাংশ অনুন্নত দেশের জন্য প্রায় ২০ শতাংশ) আসে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলির কাছ থেকে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেবামূলক সংস্থা এবং দেশীয় এন.জি.ও বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সমস্যার/ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এসব সংস্থাকে নিম্নোক্ত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায় : ১) মাল্টিল্যাটেরাল এজেন্সি বা বহুমাত্রিক সংস্থা ২) বাইল্যাটেরাল এজেন্সি বা দ্বিপাক্ষিক সংস্থা ৩) এনজিও
Comments
Post a Comment